শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো জীবনের জন্য প্রস্তুতি। এখন জীবন বলতে যারা শুধু ইহকালীন জীবনটাই বুঝেছে তারা সে অনুযায়ী শিক্ষা গ্রহণ করছে। বস্তুবাদীতা তাদেরকে এমনভাবে গ্রাস করেছে যে, তাদের কাছে জীবনের অর্থই হলো যেভাবে পারো কামাই করো, খাও দাও ফুর্তি করো। ন্যায়-অন্যায়, হালাল-হারাম ও পরকালীন জবাবদিহিতার কোনো মূল্য তাদের কাছে নেই। যার ফলে সন্তানের কাছে পিতা-মাতা, পিতা-মাতার কাছে সন্তান কিংবা স্বামীর কাছে স্ত্রী, স্ত্রীর কাছে স্বামীর জীবন, সম্পদ ও ইমান আজ অনিরাপদ।
কুরআন বিহীন শিক্ষা আসলে মূর্খতারই নামান্তর। ইসলামের সাথে সম্পর্কহীনতার কারণে আবুল হাকামও হয়ে গেছে আবু জাহল। আজকের যুগেও যত বড় শিক্ষিতই হোক না কেন তাদের মধ্যে যদি কুরআনের জ্ঞান ও পরকালীন জবাবদিহিতার ভয় সৃষ্টি না হয়, তাহলে তথাকথিত এসব শিক্ষিতদের দ্বারা এ সমাজে শুধু অসভ্যতা, বর্বরতা ও অনৈতিকতার চাষ হবে। তাই একজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রফেসর কিংবা একজন রাজনীতিবীদ হওয়ার আগেই একজন ভাল মানুষ হতে হবে। আর ভাল মানুষ হওয়ার জন্য গ্রহণ করতে হবে মহান আল্লাহ প্রদত্ত কুরআনিক ফর্মুলা। কারণ আল-কুরআনই হলো বিশ্বমানবতার মুক্তির সনদ এবং ভারসাম্যপূর্ণ লাইফ স্টাইল।
ওহী ভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমেই একজন মানুষ বুঝতে পারে ইহকালীন জীবনের পরে তার আরেকটি জীবন আছে এবং সে জীবনে গিয়ে তাকে ইহকালীন জীবনের যাবতীয় কর্মের জবাবদিহি করতে হবে। তাই এই শিক্ষার মাধ্যমেই একজন মানুষ দুনিয়া ও আখিরাত দুই জীবনের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু শিক্ষা গ্রহণে জাতি আজ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একদল ওহী ভিত্তিক শিক্ষাকে জলাঞ্জলী দিয়ে বস্তুগত পন্ডিত হয়ে চর্মচোখে বিচার করতে গিয়ে অন্তর্দৃষ্টি হারিয়ে পথভ্রষ্ট পথিক হয়ে উদ্ভ্রান্তের মত ঘুরছে। আরেক দল ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে জাগতিক বিদ্যা থেকে বিমুখতার ফলে জীবনের বৃহত্তর পরিসরে নিজেদেরকে বঞ্চিত করে রেখেছে। ফলে তারা সমাজে দৃশ্যমান কোনো অবদান রাখতে পারছে না। তাই প্রথম দল যদি অন্ধ হয় তো দ্বিতীয় দল পঙ্গু। আসলে এই দুইয়ের সমন্বিত শিক্ষার মাধ্যমেই নীতিবান ও ভারসাম্যপূর্ণ একটি জাতি গঠন সম্ভব।
আমাদের সন্তানরা যেন নৈতিকতা ও জ্ঞান বিজ্ঞানের সমন্বয়েই গড়ে উঠে এবং তাদের দুনিয়া ও আখিরাত উজ্জ্বল করে। তারা যেন অর্জন করে বিশ্ব স্রষ্টা রাহমানুর রাহীমের ভালোবাসা ও সন্তুষ্টি এবং অধিকারী হয় জান্নাতুল ফেরদাউসের। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই "আল-কলম ইউনিভার্সাল মাদরাসার" যাত্রা।
আলাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সামগ্রীক কর্মতৎপরতাকে কবুল করুন এবং অনন্তকালের মুক্তির ওয়াসিলা বানিয়ে দিন। আমিন।
সবশেষে সবার আন্তরিক সহযোগিতা, পরামর্শ ও দু'আ কামনা করছি।
মা'আসসালাম
(মুহাম্মদ ওবায়দুর রহমান)
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক
আল-কলম ইউনিভার্সাল মাদরাসা।
Lorem ipsum dolor sit amet consectetur adipisicing elit. Deserunt sapiente mollitia qui. Laborum adipisci, harum enim repellat dolorum rem voluptatum sed nesciunt veniam est quis vitae, dolor illum officia aut?
Lorem ipsum dolor sit amet consectetur adipisicing elit. Deserunt sapiente mollitia qui. Laborum adipisci, harum enim repellat dolorum rem voluptatum sed nesciunt veniam est quis vitae, dolor illum officia aut?
Lorem ipsum dolor sit amet consectetur adipisicing elit. Deserunt sapiente mollitia qui. Laborum adipisci, harum enim repellat dolorum rem voluptatum sed nesciunt veniam est quis vitae, dolor illum officia aut?
Lorem ipsum dolor sit amet consectetur adipisicing elit. Deserunt sapiente mollitia qui. Laborum adipisci, harum enim repellat dolorum rem voluptatum sed nesciunt veniam est quis vitae, dolor illum officia aut?